Skip to content

***বিভিন্ন সারের পরিচিতি***

সারের নাম রং/বর্ণ আকার/আকৃতি গন্ধ হাতের অনুভূতি অন্যান্য বৈশিষ্ট্য
ইউরিয়া সাদা সাগু দানার মত গোলাকার তীব্র ঝাঁঝালো পিচ্ছিল বাতাসে ভিজে যায়
টিএসপি ধূসর বা মেটে ডিম্বাকার ঝাঁঝালো নয় পিচ্ছিল নয় ইঁদুরে তোলা মাটির মত
এসএসপি কালচে ধূসর অনিয়ত ডিম্বাকার মধ্যম খসখসে দেখতে অনেকটা টিএসপি এর মত
এমপি লাল/সাদা লবণের দানার মতো কম খসখসে নয় ইটের গুঁড়ার মত বা লবণের মত
জিপসাম রূপালী ক্ষুদ্র দানাদার কম পিচ্ছিল রেশমী ভিজা ভিজা থাকতে পারে
দস্তা সার কালচে অনিয়ত ডিম্বাকার মধ্যম খসখসে ধরলে হাত জ্বালা করে
গোবর ধূসর আঁশীয় গুঁড়া মধ্যম খসখসে আঁশ বেশী শক্ত
কমপোস্ট কালচে ধূসর গুঁড়া কম পাউডারের মত আঁশ কম
মুরগির বিষ্ঠা ধূসর অনিয়ত তীব্র এমোনিয়া মসৃণ নয় ভিজা ভিজা
খৈল কালচে কেক ঝাঁঝালো খসখসে হাতের মুঠোয় ভাঙ্গা যায়
শুকনো রক্ত কালচে সূক্ষ্ম গুঁড়া মধ্যম মসৃণ পাউডারের মত

***ধানের বীজ বাছাইকরণ প্রক্রিয়া***

ইউরিয়া দ্রবণে ধানের বীজ নিমজ্জিত করে বাছাই করা যায়। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে ধানের বীজ বাচাই করা যাবে:

উপকরণ:

  • ১ কেজি ধানের বীজ
  • ১৩ লিটার পানি
  • ১টি বালতি
  • আধা কেজি ইউরিয়া সার

কাজের ধাপ:

  • ২০ লিটার পানি ধরে এমন একটি বালতি নিতে হবে।
  • বালতিতে ১৩ লিটার পরিষ্কার পানি নিতে হবে।
  • আধা কেজি ইউরিয়া সার বালতির পানিতে মিশাতে হবে।
  • এবার ধানের বীজ উক্ত সার মিশ্রিত পানিতে ঢেলে নিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করতে হবে।
  • কিছুক্ষণ পর লক্ষ করলে দেখা যাবে ভারী, পুষ্ট ও সবল বীজগুলো বালতির তলায় জমে আছে।
  • এবং অপুষ্ট বীজগুলো বালতির পানির উপরে ভাসছে।
  • এরপর হাত বা চালনি দিয়ে ভাসমান বীজগুলো তুলে ফেলতে হবে।
  • এবার বালতির তলায় জমে থাকা বীজগুলো তুলে পরিষ্কার পানি দিয়ে দুই-তিন বার ভালভাবে ধুয়ে ছায়ায় শুকাতে হবে।

***বাচ্চা ফুটানোর উপযোগী ডিম নির্বাচন***

ডিম বাছাই করার সময় নিচের বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ রাখতে হবে:

ü   ডিমের আকার: ডিম থেকে বাচ্চা উত্পাদনের জন্য মাঝারি আকারের ডিম ভালো। অস্বাভাবিক আকৃতির ও পাতলা খোসার ডিম নেয়া যাবে না। কেবল মসৃণ, মোটা ও শক্ত খোসা বিশিষ্ট ডিম বাছাই করতে হবে।

ü   খোসার রং: মুরগি জাতভেদে বিভিন্ন রঙের ডিম দেয়। ডিমের খোসার রং সাদা, বাদামি, কালো বা কালচে হতে পারে। যে জাত যে রঙের ডিম দেয় সে অনুযায়ী ডিম বাছাই করতে হবে।

ü   ফাটা ডিম: ফাটা ডিম বাদ দিতে হবে। একটি ডিমের সাথে অন্যটি দিয়ে আঘাত করলে সৃষ্ট শব্দ দ্বারা ডিম ফাটা কিনা বোঝা যায়।

ü   ডিমের ভেতরের বৈশিষ্ট্য: ডিমের ভেতর স্বচ্ছ হলে এবং কুসুম ডিমের মাঝখানে থাকলে সেই ডিম বাচ্চা ফুটানোর জন্য উত্তম। সূর্যের আলোতে ধরলে তা স্পষ্ট বোঝা যায়।

ü   পরিষ্কার ডিম: ডিম বাছাই করার সময় ডিম পরিষ্কার কিনা তা লক্ষ রাখতে হবে। ময়লাযুক্ত ডিম নেকড়া দিয়ে ডিম পরিষ্কার করা উচিত। ডিম পানিতে ধোয়া যাবে না।

ü   ডিমের ওজন: উন্নত জাতের মুরগির ডিমের ওজন ৫০-৬০ গ্রাম হতে হবে।

ü   ডিমের বয়স: ফুটানোর উপযোগী ডিমের বয়স গ্রীষ্মকালে ৩-৪ দিন এবং শীতকালে ৭-১০ দিনের বেশি হবে না।

ফডার খেশারি(লিগুমিনাস ঘাস) চাষ – গো-খাদ্য

ফডার খেশারি আমিষ সমৃদ্ধ লিগুমিনাস ঘাস। এটি একদিকে যেমন পশুখাদ্যের সংস্থাপন করে, অন্যদিকে জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি করে। এতে পুষ্টিমান হিসেবে শুষ্ক পদার্থ থাকে ১৭·২ ভাগ, আমিষ ২৪·৫ ভাগ, ফ্যাট ৪·৫ ভাগ, আঁশ ২৪·৬ ভাগ এবং খনিজ উপাদান ৮ ভাগ এবং এর হজম ক্ষমতা বেশি, যা গবাদিপশুর পুষ্টির চাহিদা অনেকাংশে পূরণ করে।

চাষ পদ্ধতিঃ

খু্‌ব শক্ত, কর্দমাক্ত, শুষ্ক ও এমন কি লবণাক্ত জমিতেও ফডার খেশারি চাষ করা যায়। বাংলাদেশের সকল জেলায় ধানের জমিতে এই ঘাস চাষ করা যায়। রিলে ফডার হিসেবে ফডার খেশারি বাংলা কার্তিক বা ইংরেজী নভেম্বর মাসের মাঝামাঝিতে আমন ধানের সাথে চাষ করতে হয়। আমন ধান কাটার ১৫ দিন পূর্বে ধানের জমিতে খেসারির বীজ সমভাবে ছিটিয়ে বপন করতে হবে। একর প্রতি বীজের পরিমাণ ৩৫ কেজি। বীজ ছিটানো সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ধানের শীষে বীজ আটকে না থাকে। বীজ বপনের সময় জমিতে যথেষ্ট রস থাকা প্রয়োজন। তবে পানি জমে থাকা চলবে না। পনের দিন পরে সাবধানে ধান কেটে নিলে খেশারি গাছগুলো দ্রুত বাড়তে শুরু করবে। পরবর্তী বোরো ধান চাষের পূর্ব পর্য- জমিতে খেশারি থাকবে। খেশারি চাষে কোন সেচ, সার বা নিড়ানীর প্রয়োজন হয় না, তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন গরু-ছাগল ফসল নষ্ট না করে।

চাষের সময়ঃ

রিলে ফডার হিসেবে ফডার খেশারি বাংলা কার্তিক বা ইংরেজী নভেম্বর মাসের শেষের দিকে আমন ধানের সাথে চাষ করতে হয়।

ফডার কাটার সময় ও নিয়মঃ পরবর্তী বোরো ধান চাষের জন্য জমি তৈরির পূর্ব মুহূর্তে ফডার খেশারি কাঁচি দ্বারা কেটে উঠাতে হবে। ফডার টেনে উপড়ে তোলা যাবে না। এতে করে শিকড়ে বসবাসকারী উপকারী ব্যাকটেরিয়া মারা যাবে। খেশারি গাছে যখন ফল আসা শুরু করে তখনই ফডার কাটার উপযুক্ত সময়।

ফলনঃ

ধানের সাথে রিলে ফসল হিসেবে চাষ করলেও ফডার খেশারির ফলন যথেষ্ট ভাল হয়। একর প্রতি ফলন ৫ থেকে ৬ টন। তুলনা করে দেখা গেছে যে, জমিতে এককভাবে শুধু ফডার খেশারি চাষ করলে যে ফলন হয়, ধানের সাথে রিলে ফসল হিসেবে চাষ করলেও সমপরিমাণ ফলন পাওয়া যায়।

ফডার খেশারির ‘হে’ তৈরির পদ্ধতিঃ

কাঁচা খেশারি ঘাস, জমি থেকে কেটে রৌদ্রে শুকিয়ে ‘হে’ তৈরি করা হয়। খেশারি ফডার কেটে তা মাঠে বা বাড়ির আঙ্গিনায় ছড়িয়ে রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে শুকাতে হবে। শুকানোর সময় বাঁশের আড়াল দিয়ে দিনে ২/৩ বার উল্টে-পাল্টে দিতে হবে। এতে করে সব ঘাসই সমান তাপ পাবে। এমনভাবে শুকাতে হবে যাতে ঘাসের মধ্যে শতকরা ১৫ ভাগের বেশি পানি না থাকে। শুকানো সঠিকভাবে হয়েছে কিনা তা বুঝার জন্য এক মুঠো ঘাস হাতে নিয়ে চাপ দিয়ে ভাঙ্গার চেষ্টা করতে হবে। যদি পুরোপুরি না ভাঙ্গে অথচ শুকনো মনে হয়, তখনই রোদ্রে শুকানো বন্ধ করতে হবে এবং ‘হে’ তৈরি হয়েছে বুঝতে হবে।

বক্স বেলিং পদ্ধতিতে গাঁইট বাঁধা ও সংরক্ষণঃ

তৈরি ‘হে’ গাঁইটে বেঁধে সংরক্ষণের জন্য একটি কাঠের বাক্স তৈরি করতে হবে যার দৈর্ঘø ২৫ ইঞ্চি, প্রস্থ ১৬ ইঞ্চি এবং উচ্চতা ১৩ ইঞ্চি হবে। এই বাক্সের চারপাশে চারটি দেয়াল থাকবে, কোন তলা ও ঢাকনা থাকবে না। প্রথমে বাক্সটিকে সমতল স্থানে বসিয়ে তার মধ্যে দুই প্রান্তের কাছাকাছি স্থানে দুইটি মাঝারি মোটা ৬০ ইঞ্চি লম্বা মাপের রশি বাক্সের দৈর্ঘø বরাবর এমনভাবে বিছাতে হবে যাতে রশির দুই প্রা- বাক্সের দুই প্রান্তের পাশ দিয়ে বাইরের দিকে নিচ পর্য- ঝুলে থাকে। এবার ‘হে’ অল্প অল্প করে বাক্সের মধ্যে রাখতে হবে এবং দুই পা দিয়ে চাপ দিতে হবে। বাক্স ভরে গেলে দুপাশের রশি ধরে টেনে আঁঁিট বাধতে হবে। এভাবে প্রস্তুতকৃত আঁটিগুলো ঘরের মধ্যে অল্প স্থানে রাখা যাবে।

বক্সবেলিং পদ্ধতিতে ‘হে’ সংরক্ষণের উপকারিতাঃ

অল্প স্থানে অধিক পরিমাণে ‘হে’ সংরক্ষণ করা যায়, বৃষ্টির পচন থেকে সহজে রক্ষা করা যায়, একস্থান হতে অন্যস্থানে সহজে স্থানা-র করা যায়, সহজে ওজন করা যায় এবং গাভীর প্রয়োজন অনুযায়ী খাওয়ানো যায়।

গরু-ছাগলকে খাওয়ানোর পদ্ধতিঃ

ফডার খেশারি তাজা সবুজ অবস্থায় এবং শুকিয়ে ‘হে’ করে রেখে অনেকদিন পর্য- খড়ের সাথে মিশিয়ে দুধালো গাভী, গরু বা ছাগলকে খাওয়ানো যায়। একটি গাভীকে প্রতিদিন ৩/৪ কেজি সবুজ ফডার খেশারি বা ১·৫/২ কেজি পরিমাণ ‘হে’ খড়ের সাথে মিশিয়ে খাওয়াতে হয়। ছাগলের জন্য ·৫/১ কেজি ‘হে’ যথেষ্ট।

ফডার খেশারি চাষের উপকারিতাঃ

১· অধিক পরিমাণে আমিষ, খনিজ ও ভিটামিন যুক্ত গো-খাদ্য পাওয়া যায়।

২· ফডার খেশারি গাভীকে খাওয়ালে দুধের পরিমাণ ২০% বাড়ে।

৩· খেশারির শিকড়ে প্রচুর ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গুটি থাকে। এই সব গুটিতে অসংখ্য অনুজীব থাকে, যারা জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি করে।

৪· ফডার খেশারি চাষের পরবর্তী বোরো ধানের ফসল শতকরা ৮ ভাগ বৃদ্ধি পায় এবং একর প্রতি ৩৩৫০ টাকার বোরো ধান বেশি উৎপাদন হয়।

৫· গাভীর খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ শতকরা ২-৪ ভাগ এবং হজম শক্তি ১·৫-২ ভাগ বৃদ্ধি পায়।

৬· এটি আবাদ করতে সার ও সেচের প্রয়োজন হয় না।

এমন একটি সমন্বিত প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে সম্প্রসারণের জন্য এর যথার্থ উপকারিতা এবং ব্যবহার সম্পর্কে ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে গণসচেতনতা সৃষ্টি করা একা- জরুরি।

***গর্ভবতী গাভীর যত্ন***

জমিতে বীজ বপনের পর ভাল ফসল ফলানোর জন্য যেমন বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন তেমনি একটি উন্নতমানের বাছুর এবং বেশি দুধ পেতে হলে একটি গর্ভবতী গাভীর বিশেষ যত্ন নিতে হবে। গর্ভাবস্থায় গাভীর সঠিক যত্ন না নিলে গাভীর স্বাস্থ্য, বাছুরের স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়। অনেক সময় গাভী ও বাছুর উভয়ই মারা যায় বা অসুস্থ হয়ে যায়। এছাড়াও প্রজননের পর দুধের পরিমাণ তেমন ভাল থাকে না। তাই গর্ভবতী গাভীর বিশেষ যত্ন নিতে হবে।

নিম্নে গর্ভবতী গাভীর বিশেষ যত্নসমূহ দেওয়া হল:

*     প্রসবের অত্যন্ত ১ মাস আগে থেকে গাভীকে আলাদা নিরাপদ স্থানে রাখতে হবে।

*     গাভীর ঘর শুকনা ও পরিষ্কার রাখতে হবে।

*     গাভীর শোয়ার জন্য খড় বিছিয়ে বিছানা করে দিতে হবে যাতে গাভী আরামে শুতে পারে।

*     গাভীকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে।

*     গাভীর গায়ে যাতে অতিরিক্ত ঠান্ডা বা গরম না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

*     গাভীকে দিয়ে কোন শ্রমের কাজ করানো যাবে না।

*     গাভীকে প্রচুর ঘাস ও খড় খাওয়াতে হবে।

*     গাভীকে দৈনিক দেড় থেকে দুই কেজি দানাদার খাবার খাওয়াতে হবে।

*     প্রতিদিন লবণসহ পর্যাপ্ত পরিষ্কার পান করাতে হবে।

*     গাভীকে উঁচু-নিচু বা পিচ্ছিল স্থানে রাখা যাবে না।

*     গাভীর গায়ে উকুন বা আটালি হলে তা পরিষ্কার করতে হবে।

*     বাচ্চা প্রসবের কাছাকাছি সময়ে পাহারার ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ রাতে প্রসব করলে গাভী ফুল পড়া খেয়ে ফেলে। ফলে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।***

**শালগম (Turnip)**

বৈজ্ঞানিক নাম: Brassica rapa(ব্রাসিকা রেপা)

শালগম আমাদের দেশের একটি পরিচিত শবজি। স্বাদে, গন্ধে ও বর্ণে অনেকটা মুলার মত হলেও শালগমের আকার কিছুটা গোলাকার। অনেকটা ওলকরি মত। সবরকম জমিতেই শালগম ফলে। তবে দোঁআশ মাটি বেশি উপযোগী। বলা হয়ে থাকে যে, শালগমের উrপত্তি হয় রাশিয়া এবং সাইবেরিয়ায়। তরকারি ও সালাদ হিসেবে শালগম খাওয়া হয়। কচি অবস্থায় শালগম পাতা খুবই পুষ্টিকর।

শালগমের পুষ্টি উপাদান নিম্নরুপ: (আহার উপযোগী প্রতি ১০০ গ্রামে)

আমিষ (গ্রাম) শ্বেতসার (গ্রাম) চর্বি (গ্রাম) খনিজ লবণ(গ্রাম) ভিটামিন বি-১(মি:গ্রা:) ভিটামিন বি-২(মি:গ্রা:) ভিটামিন সি(মি:গ্রা:) ক্যালসিয়াম (মি:গ্রা:)

লৌহ (মি:গ্রা:)

ক্যাটোরিন (মাই:গ্রা:) খাদ্যশক্তি (কি:ক্যালরি)
১০ ১১
১.৩

শাক:

৯.৪ ১.৫ ২.২ ০.৩১ ০.৫৭ ১৮০ ৭১০ ২৮.৪ ৯৩৯৬ ৬৭
১.৭

মূল

৬.২ অল্প ০.৬ ০.০৩ ০.০২ ১৫ ২৪ ০.৪ ২১

**গাজর(Carrot)**

বৈজ্ঞানিক নাম: Daucus Carota(ডোকাস ক্যারোটা)

গাজর অতি পরিচিত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর সবজি। এর রং সাধারণত লাল হয়ে থাকে। গাজর চাষের জন্য পানি নিকাশ সুবিধাযুক্ত গভীর, বেলে দোঁআশ মাটি উপযোগী। এশিয়া, ইউরোপ এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় গাজরের চাষ হয়। তরকারি, সালাদ, হালুয়া তৈরি ইত্যাদি নানাবিধ ব্যবহারের জন্য গাজরের গুরুত্ব খুব বেশি। গাজরের পাতা শাক হিসেবেও খাওয়া চলে।

গাজরের পুষ্টি উপাদান নিম্নরুপ: (আহার উপযোগী প্রতি ১০০ গ্রামে)

আমিষ (গ্রাম) শ্বেতসার (গ্রাম) চর্বি (গ্রাম) খনিজ লবণ(গ্রাম) ভিটামিন বি-১(মি:গ্রা:) ভিটামিন বি-২(মি:গ্রা:) ভিটামিন সি(মি:গ্রা:) ক্যালসিয়াম (মি:গ্রা:) লৌহ (মি:গ্রা:) ক্যাটোরিন (মাই:গ্রা:) খাদ্যশক্তি (কি:ক্যালরি)
১০ ১১
১.২ ১২.৭ ০.২ ০.৯ ০.০৪ ০.০৫ ১৫ ২৭ ২.২ ১০৫২০ ৫৭